মানি রিসিট জেনারেটর (Money Receipt Generator)
টাকা নেওয়ার পর গ্রাহককে একটা পরিষ্কার রসিদ দিন। নাম, টাকা আর কী বাবদ লিখুন, টাকা কথায় নিজে থেকেই লেখা হবে। তারপর PDF ডাউনলোড করে পাঠান।
🔒 সব তথ্য শুধু আপনার ব্রাউজারে থাকে।
আপনার ব্যবসার নাম
মানি রিসিট (Money Receipt)
জনাব/জনাবা ................................-এর নিকট হইতে
টাকা (কথায়): ................................
................................ বাবদ, নগদ (Cash) মাধ্যমে বুঝিয়া পাইলাম।
৳ —
গ্রহণকারীর স্বাক্ষর
মানি রিসিট বানানোর ধাপ
- আপনার ব্যবসার নাম, ঠিকানা আর লোগো দিন।
- যার কাছ থেকে টাকা নিলেন তার নাম, টাকার পরিমাণ আর কী বাবদ তা লিখুন।
- পেমেন্টের মাধ্যম বেছে নিন। bKash, Nagad বা ব্যাংক হলে ট্রানজেকশন আইডি দিন।
- প্রিভিউ দেখে PDF ডাউনলোড করুন। কাগজে দিতে চাইলে PDF প্রিন্ট করে স্বাক্ষর দিন, আর একটা কপি নিজের কাছে রাখুন।
কোথায় মানি রিসিট দরকার হয়
- দোকান বা বাসা ভাড়া আদায়
- অগ্রিম বা বুকিং মানি গ্রহণ
- কোচিং, স্কুল বা ট্রেনিংয়ের ভর্তি ও মাসিক ফি
- কিস্তিতে বিক্রি হওয়া পণ্যের কিস্তি আদায়
- সংগঠন বা সমিতির চাঁদা ও অনুদান
সাধারণ প্রশ্ন
মানি রিসিট কী, আর কখন দিতে হয়?
মানি রিসিট হলো টাকা বুঝে পাওয়ার লিখিত প্রমাণ। গ্রাহক নগদ, bKash, ব্যাংক বা চেকে টাকা দিলে বিক্রেতা বা গ্রহণকারী এটা দেন। দোকান ভাড়া, অগ্রিম, কিস্তি, ভর্তি ফি বা সেবার পেমেন্ট নেওয়ার সময় সাধারণত দেওয়া হয়।
মানি রিসিট আর ইনভয়েসের পার্থক্য কী?
ইনভয়েস দেওয়া হয় টাকা চাওয়ার জন্য, অর্থাৎ পেমেন্টের আগে। মানি রিসিট দেওয়া হয় টাকা পাওয়ার পরে, প্রমাণ হিসেবে। অনেক ব্যবসা দুটোই ব্যবহার করে: আগে ইনভয়েস, পেমেন্টের পর রিসিট।
মানি রিসিটে কী কী লিখতে হয়?
রসিদ নম্বর, তারিখ, যার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হলো, টাকার পরিমাণ অংকে ও কথায়, কী বাবদ, পেমেন্টের মাধ্যম (ট্রানজেকশন আইডি বা চেক নম্বরসহ) আর গ্রহণকারীর স্বাক্ষর। এই জেনারেটরে সব ঘর দেওয়া আছে, আর টাকা কথায় নিজে থেকেই লেখা হয়।